অপারেশন ছাড়াই এক সঙ্গে ছয় শিশুর জন্ম!

Sharing

অন্যকন্ঠ,সিলেট প্রতিনিধি: প্রসব বেদনা উঠেছিল আজ বুধবার সকাল ৬টার দিকে। সঙ্গে সঙ্গে প্রসূতি হোছনা বেগমকে (২৬) সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনরা। তাঁদের মধ্যে ছিল উদ্বেগ। সঙ্গে লুকানো আনন্দ। আবারও মা হতে চলেছেন হোছনা।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পরিচর্যার পর হোছনাকে দ্রুত প্রসব কক্ষে (লেবার রুম) নিয়ে যান কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। সকাল ১০টার পর কোনো অস্ত্রোপচার ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে একে একে ছয় সন্তানের জন্ম দেন হোছনা বেগম। এর মধ্যে চারটি মেয়ে এবং দুটি ছেলে। খবরটি শুনে আনন্দে ফেটে পড়ে স্বজনরা।

স্বাভাবিকভাবে এক সঙ্গে ছয় শিশুকে পৃথিবীর আলোর মুখ দেখাতে পেরে খুশি হন চিকিৎসক ও সেবিকারাও। কিন্তু এই আনন্দ বেশিক্ষণ থাকেনি। জন্মের পরপর ৬ শিশুকে হাসপাতালের এনআইসিইউ কক্ষের একটি ইনকিউবিটরে রাখা হয়। জন্মের আট ঘণ্টা পর মৃত্যু হয় তিন শিশুর।

চিকিৎসকরা বলেছেন, জন্মের পরই শিশুরা শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। একই সঙ্গে এসব শিশু কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। অন্য তিন শিশু স্বাভাবিক আছে। তাদের ইনকিউবিটরে রাখা হয়েছে।

সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবদুল হাই বলেন, ‘আমার জানা মতো বাংলাদেশে একসঙ্গে স্বাভাবিকভাবে ছয়টি শিশু জন্ম নেয়নি। এটাই প্রথম। শিশুদের মা সুস্থ আছেন।’

আবদুল হাই আরো জানান, শুরুতেই শিশুদের ইনকিউবিটরে রাখা হয়। আট ঘণ্টা পর তিন শিশু মারা যায়। এরা শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। ওজনও ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে কম।’

হোছনা বেগম সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার রাজাগঞ্জের বাসিন্দা। তাঁর স্বামী জামাল উদ্দিন দুবাইতে থাকেন। তাঁদের তিন বছর বয়সী আরেকটি মেয়ে আছে।

অন্যকন্ঠ………………….

Sharing